পাখি বিষয়ক সচেতনতা
জানুয়ারি 29, 2008 — susantaআজ এন সি সি বা নেচার কনজারভেশন কমিটি এবং আই ইউ সি এন এর যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রাম পাবলিক লাইব্রেরিতে ‘অতিথি পাখি এবং বার্ড ফ্লু’ সংক্রান্ত একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হলো। অনেক কিছু শিখলাম, জানলাম এবং বুঝলাম।
এখানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট পাখি বিশেষজ্ঞ ‘সাজাহান সরদার’। কর্মশালাটিতে আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক তপন কুমার রুদ্র, শিল্পী বাদল খন্দকার, নৃত্যশিল্পী দুলু, লাইব্রেরিয়ান নুরজামাল বাবু এবং আমিসহ কয়েকজন। সঞ্চালনা করেছে রাশেদুল ইসলাম বাবু। অনুষ্ঠানটির সমন্বয়ক ছিলেন সৈয়দপুরের ম্যারিগোল্ড স্কুলের অধ্যক্ষ রুকসানা জামান শানু।
বেশ তথ্যবহুল আলোচনা সবাই করেছে। অনেক অজানা তথ্য আজ জানা হল।
- বার্ড ফ্লুতে কোন পাখি মারা গেলে তার ১ কি.মি. এর মধ্যে সব গৃহপালিত পাখিকে মেরে ফেলতে হবে।
- মানুষের সর্দির মতোই বার্ড ফ্লু এর সব লক্ষণ।
- মরা পাখি মাটির ৮ ফুট নীচে পুতে ফেলতে হবে। তার উপর অন্তত: ৩ ফুট মাটি দিয়ে চাপা দিতে হবে যেন শেয়াল কুকুর মাটি খুড়তে না পারে।
- পরিয়ায়ী পাখিদেরকে পর্যবেক্ষণ করতে হবে যে তাদের মধ্যে কোনটির বার্ড ফ্লু রোগ হয়েছে কিনা।
- বার্ড ফ্লু রোগের কোন প্রতিষেধক নেই। তাই আক্রান্ত হওয়ার আগেই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
- বিশ্বের ৭৫টি দেশে বার্ড ফ্লু ছড়িয়ে পড়েছে।
- ভাইরাসজনিত কোন রোগের কোন প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। আর বার্ড ফ্লু বা এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা একটি ভাইরাসজনিত রোগ।
বক্তব্য রাখছেন ‘সাজাহান সরদার’








