রোদের তাপ

দুপুর বেলা একটা কাজে বের হয়েছিলামরোদের তাপে সিদ্ধ হবার দশাকিছুক্ষণের মধ্যেই শরীর ঘামে নেয়ে জবজবে হয়ে গেল মনে হচ্ছিল যদি একটু কোথাও বসা যেত তাহলে ভাল হত। একটু আরাম পেতাম। কিন্তু পরক্ষণেই মনে হল সাধারণ মানুষ বিশেষ করে যারা খেটে খাওয়া মানুষ তারা কিন্তু এই রোদের মধ্যেই কাজ করে চলছে। আমি একা একাই সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছি। শুধু নিজের ওজনটাকেই বহন করতে হচ্ছে। কিন্তু রিক্সাওয়ালা বা ভ্যান চালকরা তাদের কি অবস্থা? তাদেরকে কে তো অন্যের ওজন ঘাড়ে নিয়ে চলতে হচ্ছে। তারা কি ভাবছে? তাদের কেমন লাগছে? আমি না হয় এক ঘন্টা পড়ে স্বস্তি পাব। কিন্তু তাদের তো কোন উপায় নেই। সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্লান্তিকে সহ্য করতেই হবে।

5 Responses to “রোদের তাপ”

  1. bikorno Says:

    সত্যি রোদের তাপের জন্য অফিস থেকে বেরোতে ইচ্ছা করে না।

  2. bikorno Says:

    সত্যি রোদের তাপের জন্য অফিস থেকে বেরোতে ইচ্ছা করে না।সত্যি রোদের তাপের জন্য অফিস থেকে বেরোতে ইচ্ছা করে না।

  3. susanta Says:

    বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির বিরূপ প্রভাব আমাদের মতো গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দেশগুলোকেই বেশি ভোগাচ্ছে বোধহয়। আমি গতবছর এই সময়ে নাটোরের আব্দুলপুরে ছিলাম। বাংলাদেশের সবচেয়ে উষ্ণতম অঞ্চল হল লালপুর। আর এই লালপুরের একটি ইউনিয়ন হল আব্দুলপুর। গরম কাকে বলে? কত প্রকার? কেমন লাগে? রোদের তাপের শক্তি কেমন তা আমি মর্মে মর্মে চর্মে চর্মে অনুভব করেছি। ওই বিশেষ অনুভূতির অভিজ্ঞতা আমার চিরকাল মনে থাকবে।
    সেই তুলনায় কুড়িগ্রামে অতটা গরম পড়ে না। তবে এ বছর বোধহয় তাপমাত্রার পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে।

  4. bikorno Says:

    কুড়িগ্রামের ছবি দেখলাম ইউকিপিডিয়াতে। আরও কিছু ছবি চাই

  5. susanta Says:

    http://kurigram.wordpress.com কুড়িগ্রাম কথা নামক এই সাইটটি দেখতে পারেন। এখানে মাঝেমধ্যেই কুড়িগ্রামের কিছু ছবি দেয়ার চেষ্টা করি।

Leave a Reply