বৃষ্টিমুখর নাকি বৃষ্টিবিঘ্নিত দিন

আজকের বৃষ্টিবহুল দিনের কয়েকটি চিত্র

আজকের দিনটি বৃষ্টিমুখর নাকি বৃষ্টিবিঘ্নিত দিন তা নির্ভর করবে ব্যক্তি বিশেষের মনোভঙ্গির উপর। সকাল থেকে ঝরো ঝরো করে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পড়ছে তো পড়ছেই। থামার কোন লক্ষণ নেই। একেই বোধহয় আঞ্চলিক ভাষায় ‘সাঁতাও’ বা ‘সাঁতাল’ বলে। অবশ্য এখনও তা বলা যায় না। কারণ সংজ্ঞানুযায়ী ৭ দিনব্যাপী বৃষ্টি হতে হবে। তারপর অভিধা পাবে। কিন্তু গতকাল ও আজকে যে হারে বৃষ্টি পড়া শুরু করেছে তা বোধহয় ৭ দিনের আগে থামবে না। খুব জোরে যে বৃষ্টি পড়ছে তা নয়, দুপুরের পর তো থেমেই গিয়েছিল। আকাশ মেঘে ভর্তি। ঠিক বৃষ্টি বলতে যা বোঝায় তা নয়, কিন্তু তারপরও ছিপছিপে বৃষ্টি মাঝে মধ্যেই ২০-৩০ মিনিট পরপর পড়ছিল। অর্থাৎ মানুষের বিরক্ত উৎপাদন করা ছাড়া আজকের বৃষ্টি তেমন কিছু করতে পারে নি। তবে নিম্নাঞ্চল ভরে যাচ্ছে। বিকেলে বৃষ্টির মধ্যেই নদীতীরে গিয়েছিলাম। ব্রিজের উপর থেকে ধরলা নদীটাকে বহুদিন পর দেখলাম। জল বেড়ে গেছে। আশেপাশের মানুষদের কাছে শোনা গেল, নদীর জল হু হু করে বাড়ছে। বন্যার পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। মানুষের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ছে। ব্রিজ হবার পর নদীভাঙ্গন বন্ধ হয়েছে। কিন্তু বন্যার প্রাদুর্ভাব কমেনি। দুপাশের বাঁধগুলো নাকি এবার কিছুটা দুর্বল হয়ে গেছে। জায়গায় জায়গায় কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থও হয়েছে। যদি জলের তোড়ে ভেঙ্গে যায়, তাহলেই বিপদ। কুড়িগ্রাম শহর সম্পূর্ণ জলমগ্ন হয়ে যাবে। তবে সরকার তা হতে দেবেনা। একথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।

2 Responses to “বৃষ্টিমুখর নাকি বৃষ্টিবিঘ্নিত দিন”

  1. bikorno Says:

    অনেক দিন পর আবার আমি নেটে। ছবি গুলো খুব ভালো লাগলো। ছবি গুলো কথায় তুলেছেন?

  2. susanta Says:

    ধন্যবাদ। ছবিগুলো সব কুড়িগ্রামের। আপনাকে বহুদিন পর নেটে দেখে ভাল লাগল।


Leave a Reply