সকাল থেকে যে শক্তিতে বৃষ্টি শুরু হয়েছিল তাতে মনে হয়েছিল যে আজকেই বোধহয় বন্যায় উছলে যাবে সারা কুড়িগ্রাম। কিন্তু না, শেষ পর্যন্ত এই আশংকা আর সত্যিতে পরিণত হয় নি। সকাল থেকে তুমুল বেগে বৃষ্টি পড়ে মেঘ হালকা হয়ে গেছে। দুপুরের পরপরই বৃষ্টি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করল। বিকেল ৩টার পরপর একেবারে থেমে গেল। প্রাত্যাহিক জীবনের প্রাত্যাহিকীর বাইরে আজ আমি অবশ্য একটু ছাড় পেয়েছি। কর্মজীবীদের জন্য বর্ষাকালের অবশ্যম্ভাবী একটি বিষয় হচ্ছে প্রতিদিন জামাকাপড় ভেজানো। অন্তত: যারা বাড়ি থেকে একটু দূরের কর্মস্থলে নিয়মিত যাতায়াত করেন, তাদের ক্ষেত্রে এ কথা একশতভাগ সত্যি (নিজস্ব পরিবহন থাকলে সত্যি নয়)। আজকে আমাকে ভিজতে হয় নি। কারণ আজ সাপ্তাহিক ছুটি। সারাদিন বাড়িতে ছিলাম। বিদ্যুতের সমস্যার জন্য তেমন কার্যকরী দিন কাটাতে পারিনি। তা যা হোক, ভেবেছিলাম আজকের দিনটা অলস ভাবে শুয়ে গড়িয়ে কাটিয়ে দেব। কিন্তু বৃষ্টি থামার পর সেই যে কাজ এসে ঘাড়ে চেপে বসল, তা সে রাত ৯.০০টার আগে নামল না। তাও অসমাপ্ত থেকে গেল। আমার সকালবেলার প্রত্যাশাটা আংশিক সত্যি হয়েছে। দিনের বেলা অলসভাবেই কাটিয়েছি। কিন্তু রাত পর্যন্ত ব্যস্ত থাকতে হল। অথচ অন্যান্য দিন, সাধারণত সন্ধ্যার পরপর বাড়িতেই ফিরে আসি। আজকে ছুটির দিন, অথচ আজকেই রাত ৯.০০ টা পর্যন্ত বাইরে থাকতে হল। জীবনের মজা বোধহয় একেই বলে।





