বৃষ্টিহীন গুমোট দিন

সারাদিনে কোন বৃষ্টি হয় নি। কিন্তু তাই বলে সূর্যের আলোও ছিল না। আকাশ মেঘে ঢাকা ছিল। কালো মেঘ, ধুসর মেঘ। সূর্যের আলো পৃথিবী পর্যন্ত পৌছার কোন সুযোগ পায় নি। কেমন বিশ্রী গরম ছিল আজ। ঘুসঘুসে গরম। শরীর হু হু করে ঘামে না। কিন্তু ধীরে ধীরে চিটচিটে হয়ে যায়। বাতাসও তেমন ছিল না। বর্ষাকালের রূপ বোধহয় এমনই। আজ বর্ষা তো কাল গরম, আবার আজ গরম তো কাল ঘোর বর্ষা। আবার তারপর দিন আবার আকাশ মুখ গোমড়া করে চুপচাপ বসে আছে। কি যেন ভাবে। এটা যেন কয়েকদিন ধরে কাঁদতে কাঁদতে চোখের জল শেষ করে ফেলার মত। তারপর মন খারাপ করে দুদিন বিশ্রাম নেয়ার পর আবার শুরু হবে অঝোর কান্না। এভাবেই চলবে সারা বর্ষাকাল।

আজ রিভারভিই স্কুলের সামনের শতবর্ষী পাবলিক লাইব্রেরিতে গিয়েছিলাম। কয়েকটা তথ্য পুরনো বিশ্বকোষে খুঁজলাম। ভেবেছিলাম অন্যান্যদের সাথে গল্প করে সন্ধ্যা পার করে দিব। কিন্তু  সন্ধ্যার আগে আগে প্রকৃতিতে কি যে হয়ে গেল। আকাশ হঠাৎ ঘন কালো মেঘে ঢেকে যেতে লাগল। কেমন ম্যাটম্যাটে লালচে আলো ছড়িয়ে পড়ল। মনে হল ঝড়ের পূর্বাভাষ। তাড়াতাড়ি করে বাড়ি ফিরে এলাম। মোবাইল নেটওয়ার্ক নিমেষে সীমিত হয়ে এল। আকাশে বোধহয় সেসময় ঝড়োমেঘের আনাগোনা বেড়ে গিয়েছিল। প্রচুর বৈদ্যুতিক চার্জ ছিল সেগুলোতে।

Leave a Reply