ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করতে সমস্যা বোধ করছি। এর গতি খুব ধীর। একটা পোস্ট লিখতেই অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায়। আজ হঠাৎ করে একটু দ্রুত লোড হয়ে গেল। সেই ফাঁকে এই পোস্ট লিখছি। এখন আমি ব্লগারে ব্লগ লিখি। ওয়ার্ডপ্রেস আর ব্যবহার করছি না।
আমার ব্লগারের ব্লগ ঠিকানা হল
ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করতে সমস্যা বোধ করছি। এর গতি খুব ধীর। একটা পোস্ট লিখতেই অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায়। আজ হঠাৎ করে একটু দ্রুত লোড হয়ে গেল। সেই ফাঁকে এই পোস্ট লিখছি। এখন আমি ব্লগারে ব্লগ লিখি। ওয়ার্ডপ্রেস আর ব্যবহার করছি না।
আমার ব্লগারের ব্লগ ঠিকানা হল
আজ বাড়িতে হরেকৃষ্ণ কীর্তন এর আয়োজন করা হয়েছিল। কীর্তন উপস্থাপন করলেন কুড়িগ্রাম ইসকন এর ভক্তবৃন্দ।
কুড়িগ্রামে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে আজ জন্মাষ্টমী উৎসব পালিত হল। অন্যান্যবার সাধারণত মন্দিরপ্রাঙ্গনে অনুষ্ঠান হত। কিন্তু এবার কুড়িগ্রামের ইসকন (ISCON) জন্মাষ্টমীর মিছিল করেছে। কুড়িগ্রামের বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দকে সাথে নিয়ে কুড়িগ্রামের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেছে। নিচের ভিডিওটি কুড়িগ্রামের ঘোষপাড়া এলাকা থেকে তোলা।
সকালে তীব্র রোদ, বিকালে ঝড়বৃষ্টি। একে সাদাকালো ছাড়া আর কিই বা বলা যেতে পারে। সকালে রোদের তাপে পুড়তে পুড়তে কাজে গেলাম। বিকেলে আকাশ কালো করে মেঘ ঢেকে গেল। শোঁ শোঁ বাতাস। ছিপছিপ বৃষ্টিও পড়ল। কিন্তু তারপর? তারপর যে আর সে। প্রকৃতিতে কোন পরিবর্তন নেই। গরম এবং গরম। অনবরত এবং অবিরাম বৃষ্টির পর শুরু হল নিরন্তর গরম।
মানুষের উপর গরম আবহাওয়ার প্রভাব সত্যিই বড় খারাপ। শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়। দুপুরের পর চোখ ভেঙে ঘুম নামে। বেশ কয়েকদিন ঠাণ্ডা, সহনশীল আবহাওয়ার পর দুয়েকদিন থেকে হঠাৎ গরম পরায় শরীরের নিয়মিত ছন্দটা নষ্ট হয়ে গেছে। আজকে দুপুরে বেশ ঘুম এসেছিল। অনেক কষ্টে জেগে থাকলাম। বারবার পায়চারি করে, চোখেমুখে জল ছিটিয়ে ঘুমতে তাড়াতে হয়েছিল। দুপুরে ঘুম আসা যদিও হাস্যকর ব্যাপার, কিন্তু কিই বা করতে পারি। আবহাওয়ার বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় সাড়া না দিয়েও তো উপায় নেই।
প্রায় ১ ঘন্টা লাগল এই পোস্টটা লেখা পর্যন্ত পৌছাতে। পাবলিশ হতে যে কতক্ষণ লাগবে কে জানে। ওয়ার্ডপ্রেস এতটা স্লো কেন হয়ে গেল ঠিক বুঝতে পারছি না।
গত ২৪ জুন তারিখের জনকণ্ঠ পত্রিকায় একটা লেখা পড়েছিলাম। আন্তর্জাতিক আবর্জনা এক্সপ্রেস শিরোনামের লেখাটি দ্যা টাইমস অবলম্বনে লিখেছেন পারভীন সুলতানা ঝুমা। লেখার বিষয়বস্তু নামকরণেই স্পষ্ট। আবর্জনা সমস্যাটি ধীরে ধীরে কতটা প্রকট আকার ধারণ করছে তাই লেখাটির উপজীব্য। জার্মানী আবর্জনা পরিষ্কার করার ব্যবসাতে ইউরোপে প্রভাব বিস্তার করেছে। ইটালী থেকে প্রতিদিন ৫৬ ওয়াগন বিশিষ্ট একটা ট্রেন আবর্জনা ভর্তি করে জার্মানীতে নিয়ে যাওয়া হয়। জার্মানীতে অবস্থিত ইনসিনেরেটর প্লান্ট বা আবর্জনা পোড়ানোর চুল্লিতে ১০০০ সেলসিয়াস বা ১৮৩০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় প্রতিদিন ইটালির নেপলস শহরের ৭০০ টন আবর্জনা দূর করা হয়। আর এজন্য ইটালিকে ১ টন আবর্জনার জন্য ব্যয় করতে হয় ২৫০ ইউরো। রচনাটি পড়ে কিছু নতুন বিষয় জানলাম। বাংলাদেশে আবর্জনা সমস্যা হয়তো এখনও ততটা প্রকট আকার ধারণ করেনি। গ্রামে হয়ত সেই সমস্যাও নেই। কিন্তু শহরাঞ্চলে এই সমস্যা মাঝে মাঝে খুবই ভোগায়। স্বল্প জায়গায় বাড়ি হবার কারণে আবর্জনা ফেলবার কোন জায়গা থাকে না। শহরে পর্যাপ্ত ডাস্টবিন থাকে না। থাকলেও সেগুলো নিয়মিত পৌরসভা কর্তৃক পরিষ্কার করা হয় না ইত্যাদি ইত্যাদি। ঢাকা শহরে এই আবর্জনা সমস্যার স্বরূপ কিন্তু স্পষ্ট বোঝা যায়। আমি যতবার ঢাকাতে গিয়েছি ততবার আবর্জনার দুর্গন্ধ আমাকে স্বাগত জানিয়েছে। নাইট কোচে সাধারণত ঘুমিয়েই থাকি। ভোরের দিকে ঘুমটা গাঢ় হয়ে আসে। যার জন্য কখন শহরে বাস ঢোকে তা টের পাই না। কিন্তু জানালা খোলা থাকলে ঘুম আর ভাঙাতে হয় না। চারপাশে অন্ধকারের কারণে কিছু দেখা না গেলেও দুর্গন্ধের ঠেলায় বোঝা যায় যে ঢাকাতে পৌছে গেছি।
লেখাটির শেষে একটা মজার গল্প আছে। গল্পটি হুবহু উল্লেখ করি।
রিসাইক্লিং বিয়ারক্যানের সন্ধানে
জার্মানিতে কাগজ ফেলার জন্য নীল রঙের আবর্জনা বিন ব্যবহৃত হয়। ঘাস, গাছ ইত্যাদি ফেলা হয় সবুজ রঙের বিনে,কালো রঙের বিন ব্যবহৃত হয় উচ্ছিষ্ট খাবারের জন্য। প্লাস্টিক ও হাল্কা ধাতুর জিনিসপত্র ফেলতেহয় হলুদ রঙের বিনে। এভাবে বিভিন্ন আবর্জনার জন্য বিভিন্ন রঙয়ের বিন ব্যবহার হওয়ায় অনেকেই তালগোল পাকিয়ে ফেলে। এ প্রসঙ্গে একটি গল্প (যদিও ঘটনা সত্য) আছে। জার্মানিতে এক উৎসুক ব্যক্তিতার বিয়ার ক্যানের কি পরিণতি হয়েছে তা জানার জন্য জার্মান রিসাইক্লিং কোম্পানির এক কর্মকর্তার কাছে গেলেন। কিছুদিন পর উৎসাহী কর্মকর্তা সে ব্যক্তিকে ফোন করে জানান, এসব ক্যান গলিয়ে পার্কের বেঞ্চ বানানো হয়। এর পর ব্যক্তিটি সে সব পার্ক বেঞ্চ কোথায় স্থাপন হয় তা জানতে চাইলেন। এক সপ্তাহ পর সেই কর্মকর্তা ফোন করে জানালেন সেগুলো রাশিয়ায় রফতানি হয়। কারণ জার্মানির পার্কের জন্য আরও শক্ত পার্ক বেঞ্চ দরকার। রাশিয়ার কোথায় যায়। তার খোঁজও পাওয়া গেল। রাশিয়ার সাইবেরিয়ায়। এর পর ব্রক্তিটি রাশিয়া দূতাবাসেগিয়ে হাজির হলেন আসলে তার বিয়ার ক্যানের তৈরি পার্ক বেঞ্চের কি অবস্থা জানতে। দূতাবাসের কর্মকর্তা দু’সপ্তাহ গবেষণা চালাবার পর ভদ্রলোককে জানালেন সাইবেরিয়ার পার্কে অবস্থিত বেঞ্চগুলো জার্মানির ফেলে দেয়া বিয়ার ক্যান দ্বারা তৈরি হলেও অতি শীতের কারণে ঐসব বেঞ্চে একমাত্র পাগলদের ছাড়া আর কাউকে বসতেদেখা যায় ন।
ভদ্রলোক তখন বেজায় খুশি, তার ফেলে দেয়া বিয়ার ক্যান পৃথিবীর কোথাও না কোথাও পাওয়া গেল।
সারাদিনে কোন বৃষ্টি হয় নি। কিন্তু তাই বলে সূর্যের আলোও ছিল না। আকাশ মেঘে ঢাকা ছিল। কালো মেঘ, ধুসর মেঘ। সূর্যের আলো পৃথিবী পর্যন্ত পৌছার কোন সুযোগ পায় নি। কেমন বিশ্রী গরম ছিল আজ। ঘুসঘুসে গরম। শরীর হু হু করে ঘামে না। কিন্তু ধীরে ধীরে চিটচিটে হয়ে যায়। বাতাসও তেমন ছিল না। বর্ষাকালের রূপ বোধহয় এমনই। আজ বর্ষা তো কাল গরম, আবার আজ গরম তো কাল ঘোর বর্ষা। আবার তারপর দিন আবার আকাশ মুখ গোমড়া করে চুপচাপ বসে আছে। কি যেন ভাবে। এটা যেন কয়েকদিন ধরে কাঁদতে কাঁদতে চোখের জল শেষ করে ফেলার মত। তারপর মন খারাপ করে দুদিন বিশ্রাম নেয়ার পর আবার শুরু হবে অঝোর কান্না। এভাবেই চলবে সারা বর্ষাকাল।
আজ রিভারভিই স্কুলের সামনের শতবর্ষী পাবলিক লাইব্রেরিতে গিয়েছিলাম। কয়েকটা তথ্য পুরনো বিশ্বকোষে খুঁজলাম। ভেবেছিলাম অন্যান্যদের সাথে গল্প করে সন্ধ্যা পার করে দিব। কিন্তু সন্ধ্যার আগে আগে প্রকৃতিতে কি যে হয়ে গেল। আকাশ হঠাৎ ঘন কালো মেঘে ঢেকে যেতে লাগল। কেমন ম্যাটম্যাটে লালচে আলো ছড়িয়ে পড়ল। মনে হল ঝড়ের পূর্বাভাষ। তাড়াতাড়ি করে বাড়ি ফিরে এলাম। মোবাইল নেটওয়ার্ক নিমেষে সীমিত হয়ে এল। আকাশে বোধহয় সেসময় ঝড়োমেঘের আনাগোনা বেড়ে গিয়েছিল। প্রচুর বৈদ্যুতিক চার্জ ছিল সেগুলোতে।